দেশে চলমান ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ও জরুরি পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করতে আরও চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (০৫ জুলাই) স্বল্প ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর স্বাস্থ্যসেবায় উপযোগী প্রযুক্তি নিয়ে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর প্রধান কারণ প্লাজমা লিকেজ, যা প্রতিরোধের জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি। বর্তমানে সীমিত জনবল নিয়েও দেশের চিকিৎসকেরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশীয় গবেষণা ও উদ্ভাবনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে। বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন হলে রোগী ও অর্থনীতি দুই-ই উপকৃত হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরও চিকিৎসা সরঞ্জামের অধিকাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

কাঁচি থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসা ও প্যাথলজি যন্ত্রপাতির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীলতা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক নয়। দেশের বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকদের সক্ষমতার কোনো ঘাটতি নেই। সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবেই অনেক উদ্ভাবন বাস্তবায়ন হয় না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে উদ্ভাবিত ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য বিশেষ জুতা বিদেশেও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘দেশের অনেক বিজ্ঞানী আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন। কিন্তু দেশীয় উদ্ভাবনের জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ায় সম্ভাবনাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সুস্থ জনগোষ্ঠী ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি ও উন্নত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। দেশে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে। ডেঙ্গুতে মৃত্যুর প্রধান কারণ প্লাজমা লিকেজ।

এ বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ জরুরি। সীমিত জনবল নিয়েও চিকিৎসকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন।’